০২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তরুণদের মধ্যে বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের হার, অবশেষে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেলেন কারণ

বিজ্ঞানের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কোলোন ক্যান্সার এক সময়ের মতো শুধুমাত্র বয়স্কদের নয়, এখন ২০ থেকে ৪০ বছরের যুবকদের মধ্যেও বাড়ছে। দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসকদের জন্য এটি রহস্য ছিল, তবে নতুন গবেষণা কিছু কারণ উন্মোচন করেছে।
গবেষকরা মনে করছেন, জীবনধারা ও অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের পরিবর্তনই মূলত এই প্রবণতার পিছনে দায়ী। প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি এবং ফাইবারের অভাবযুক্ত খাদ্য অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে, যা টিউমার বৃদ্ধি প্ররোচিত করতে পারে। অতিরিক্ত ওজন, আস্তে জীবনধারা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহও কোলোন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি ও যুবকদের কোলোন ক্যান্সার আক্রান্তদের অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম তুলনা করে বিজ্ঞানীরা এমন বিশেষ ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যহীনতা চিহ্নিত করতে শুরু করেছেন, যা ক্যান্সারকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এই জ্ঞান ভবিষ্যতে লক্ষ্যভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস, প্রোবায়োটিকস এবং যুবকদের জন্য প্রাথমিক স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম তৈরি করতে সাহায্য করবে, যা এই উদ্বেগজনক প্রবণতা রোধ করতে পারে।
সচেতনতা ও জ্ঞানের অভাবও বড় সমস্যা। অনেক যুবক দীর্ঘস্থায়ী পেটব্যথা, মলত্যাগের পরিবর্তন বা অজানা ক্লান্তি উপেক্ষা করেন, ধারণা করেন কোলোন ক্যান্সার শুধুমাত্র বয়স্কদের হয়। জনগণ ও স্বাস্থ্যসেবাদাতাদের শিক্ষিত করলে দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা সম্ভব, যা অনেক জীবন বাঁচাতে পারে।
গবেষণাটি কোলোন ক্যান্সারের নতুন প্রবণতা বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা প্রতিরোধ, প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং যুবকদের জন্য সুস্থ ভবিষ্যতের পথ খুলে দিচ্ছেন।

ট্যাগ

পোশাকের সাইজ XL বা XXL এর মধ্যে ‘X’—র অর্থ কী? ৯০% মানুষের অজানা

তরুণদের মধ্যে বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের হার, অবশেষে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেলেন কারণ

আপডেট সময়ঃ ০২:৩০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিজ্ঞানের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কোলোন ক্যান্সার এক সময়ের মতো শুধুমাত্র বয়স্কদের নয়, এখন ২০ থেকে ৪০ বছরের যুবকদের মধ্যেও বাড়ছে। দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসকদের জন্য এটি রহস্য ছিল, তবে নতুন গবেষণা কিছু কারণ উন্মোচন করেছে।
গবেষকরা মনে করছেন, জীবনধারা ও অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের পরিবর্তনই মূলত এই প্রবণতার পিছনে দায়ী। প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি এবং ফাইবারের অভাবযুক্ত খাদ্য অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে, যা টিউমার বৃদ্ধি প্ররোচিত করতে পারে। অতিরিক্ত ওজন, আস্তে জীবনধারা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহও কোলোন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি ও যুবকদের কোলোন ক্যান্সার আক্রান্তদের অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম তুলনা করে বিজ্ঞানীরা এমন বিশেষ ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যহীনতা চিহ্নিত করতে শুরু করেছেন, যা ক্যান্সারকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এই জ্ঞান ভবিষ্যতে লক্ষ্যভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস, প্রোবায়োটিকস এবং যুবকদের জন্য প্রাথমিক স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম তৈরি করতে সাহায্য করবে, যা এই উদ্বেগজনক প্রবণতা রোধ করতে পারে।
সচেতনতা ও জ্ঞানের অভাবও বড় সমস্যা। অনেক যুবক দীর্ঘস্থায়ী পেটব্যথা, মলত্যাগের পরিবর্তন বা অজানা ক্লান্তি উপেক্ষা করেন, ধারণা করেন কোলোন ক্যান্সার শুধুমাত্র বয়স্কদের হয়। জনগণ ও স্বাস্থ্যসেবাদাতাদের শিক্ষিত করলে দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা সম্ভব, যা অনেক জীবন বাঁচাতে পারে।
গবেষণাটি কোলোন ক্যান্সারের নতুন প্রবণতা বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা প্রতিরোধ, প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং যুবকদের জন্য সুস্থ ভবিষ্যতের পথ খুলে দিচ্ছেন।