১১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জানা গেল পাক-ভারত যু*দ্ধে কতটি বিমান অংশ নিয়েছিল, ২য় বিশ্বযু*দ্ধের পর ডগ*ফাইটে সবচেয়ে বড় ল*ড়াই!

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় ডগফাইট বা বিমানের লড়াই দেখলো পৃথিবী। ঘন্টাব্যাপি এই লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় পাকিস্তান ও ভারতের অন্তত ১২৫টি যুদ্ধবিমান। স্যাটেলাইট এবং রাডারের সহায়তায় প্রতিপক্ষের ফাইটার জেট লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় একের পর এক মিসাইল। তবে এই লড়াইয়ে কোনো পক্ষই করেনি আকাশসীমা লঙ্ঘন।

অপারেশন সিন্দুর, পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে লাইন অফ কন্ট্রোল বরাবর রওনা দেয় ভারতের ৭৫-৮০টি যুদ্ধবিমান। বহরে ফ্রান্সের তৈরি রাফাল, রাশিয়ার তৈরি সুখই-৩০, মিগ-২৯ সহ অত্যাধুনিক সব ফাইটার জেট। যেগুলো বহন করছে স্কাল্প এবং স্পাইস-২০০০ এর মত মিসাইল।

বিপরীতে পাকিস্তানের আকাশসীমায় অবস্থান নেয় চীনের তৈরি জে ১০-সি এবং জেএফ-৭ থান্ডার মডেলের ৪০-৪৫টি ফাইটার জেট। পিএল-১৫ মিসাইল সহকারে প্রতিরক্ষায় অবস্থান নেয় আকাশ যানগুলো।

মিসাইল রেঞ্জের মধ্যে আসতে পাকিস্তানি এবং ভারতীয় ফাইটার জেটগুলো একে অপরকে লক্ষ্য করে ছুড়তে থাকে ক্ষেপণাস্ত্র। এক ঘণ্টারও বেশি সময় চলে ডগ ফাইট। কোন কোন সময় ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত কাছাকাছি চলে আসে ফাইটার জেটগুলো।

এর সাথে যুক্ত হয় ভূমিতে থাকা পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চীনা এইচকেও। দুর্ধর্ষ এই আকাশ যুদ্ধের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে দীর্ঘতম। এমনটাই দাবি বিভিন্ন সামরিক সূত্রের। এমনকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়েও দেখা মেলেনি এমন এরিয়াল ওয়ারফেয়ারের।

পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে এমন দাবি মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন সহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের।

তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো সম্মুখ এই লড়াইয়ে কোন পক্ষই একে অন্যের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি। ডগ ফাইটের ইতিহাসেও যা খুবই কম দেখা যায়।

২০১৯ সালেও ব্যাপক বিমানযুদ্ধ হয় দুই প্রতিবেশীর। সেবারে অবশ্য এক মিগ-২১ বাইসনকে খোয়াতে হয় ভারতকে। বন্দি হতে হয় পাইলটকে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

নায়িকা হওয়া সহজ নয়, ১০ বারের মত দেবার পর আবারও চাইতো

জানা গেল পাক-ভারত যু*দ্ধে কতটি বিমান অংশ নিয়েছিল, ২য় বিশ্বযু*দ্ধের পর ডগ*ফাইটে সবচেয়ে বড় ল*ড়াই!

আপডেট সময়ঃ ০৮:১৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় ডগফাইট বা বিমানের লড়াই দেখলো পৃথিবী। ঘন্টাব্যাপি এই লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় পাকিস্তান ও ভারতের অন্তত ১২৫টি যুদ্ধবিমান। স্যাটেলাইট এবং রাডারের সহায়তায় প্রতিপক্ষের ফাইটার জেট লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় একের পর এক মিসাইল। তবে এই লড়াইয়ে কোনো পক্ষই করেনি আকাশসীমা লঙ্ঘন।

অপারেশন সিন্দুর, পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে লাইন অফ কন্ট্রোল বরাবর রওনা দেয় ভারতের ৭৫-৮০টি যুদ্ধবিমান। বহরে ফ্রান্সের তৈরি রাফাল, রাশিয়ার তৈরি সুখই-৩০, মিগ-২৯ সহ অত্যাধুনিক সব ফাইটার জেট। যেগুলো বহন করছে স্কাল্প এবং স্পাইস-২০০০ এর মত মিসাইল।

বিপরীতে পাকিস্তানের আকাশসীমায় অবস্থান নেয় চীনের তৈরি জে ১০-সি এবং জেএফ-৭ থান্ডার মডেলের ৪০-৪৫টি ফাইটার জেট। পিএল-১৫ মিসাইল সহকারে প্রতিরক্ষায় অবস্থান নেয় আকাশ যানগুলো।

মিসাইল রেঞ্জের মধ্যে আসতে পাকিস্তানি এবং ভারতীয় ফাইটার জেটগুলো একে অপরকে লক্ষ্য করে ছুড়তে থাকে ক্ষেপণাস্ত্র। এক ঘণ্টারও বেশি সময় চলে ডগ ফাইট। কোন কোন সময় ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত কাছাকাছি চলে আসে ফাইটার জেটগুলো।

এর সাথে যুক্ত হয় ভূমিতে থাকা পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চীনা এইচকেও। দুর্ধর্ষ এই আকাশ যুদ্ধের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে দীর্ঘতম। এমনটাই দাবি বিভিন্ন সামরিক সূত্রের। এমনকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়েও দেখা মেলেনি এমন এরিয়াল ওয়ারফেয়ারের।

পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে এমন দাবি মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন সহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের।

তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো সম্মুখ এই লড়াইয়ে কোন পক্ষই একে অন্যের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি। ডগ ফাইটের ইতিহাসেও যা খুবই কম দেখা যায়।

২০১৯ সালেও ব্যাপক বিমানযুদ্ধ হয় দুই প্রতিবেশীর। সেবারে অবশ্য এক মিগ-২১ বাইসনকে খোয়াতে হয় ভারতকে। বন্দি হতে হয় পাইলটকে।