০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতকে নাস্তানাবুদ করা চীনা যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ এবার চীনের কাছ থেকে অত্যাধুনিক ১৬টি JF-17C মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে। এই একই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেই কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তান, ভারতের আধুনিক রাফায়েল জেটকে চাপে ফেলেছিল।

ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় দেশ, যারা এই শক্তিশালী যুদ্ধবিমান পরিচালনা করবে।

JF-17C যুদ্ধবিমান উন্নত রাডার, আধুনিক অস্ত্র ও উন্নতমানের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য পরিচিত। এটি দ্রুত উৎপাদন ও সরবরাহযোগ্য, ফলে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি একটি কার্যকর সমাধান।

বর্তমানে বাংলাদেশ যে এফ-৭ সিরিজের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে, নতুন জেটগুলো সেগুলোরই জায়গা নেবে।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। চীনা সরঞ্জাম পরিচালনায় অভিজ্ঞতা থাকায় এই চুক্তি বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অপরদিকে, পশ্চিমা দেশগুলো থেকে যুদ্ধবিমান কেনা রাজনৈতিক ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশ সরকারের জন্য কঠিন। সেই জায়গায় চীনের জেএফ-১৭সি এখন সবচেয়ে কার্যকর ও কৌশলগত বিকল্প হিসেবে বিবেচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই যুদ্ধবিমান সংগ্রহ দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে সামরিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এতে করে বাংলাদেশ আঞ্চলিক প্রতিপক্ষদের যেকোনো অনুপ্রবেশ বা উসকানির জবাব আরও শক্তভাবে দিতে পারবে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

অতিরিক্ত ধূমপানে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত! নিয়মিত খান এই ৬ খাবার

ভারতকে নাস্তানাবুদ করা চীনা যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ

আপডেট সময়ঃ ০৬:১২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ এবার চীনের কাছ থেকে অত্যাধুনিক ১৬টি JF-17C মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করেছে। এই একই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেই কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তান, ভারতের আধুনিক রাফায়েল জেটকে চাপে ফেলেছিল।

ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় দেশ, যারা এই শক্তিশালী যুদ্ধবিমান পরিচালনা করবে।

JF-17C যুদ্ধবিমান উন্নত রাডার, আধুনিক অস্ত্র ও উন্নতমানের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য পরিচিত। এটি দ্রুত উৎপাদন ও সরবরাহযোগ্য, ফলে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি একটি কার্যকর সমাধান।

বর্তমানে বাংলাদেশ যে এফ-৭ সিরিজের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে, নতুন জেটগুলো সেগুলোরই জায়গা নেবে।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। চীনা সরঞ্জাম পরিচালনায় অভিজ্ঞতা থাকায় এই চুক্তি বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অপরদিকে, পশ্চিমা দেশগুলো থেকে যুদ্ধবিমান কেনা রাজনৈতিক ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশ সরকারের জন্য কঠিন। সেই জায়গায় চীনের জেএফ-১৭সি এখন সবচেয়ে কার্যকর ও কৌশলগত বিকল্প হিসেবে বিবেচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই যুদ্ধবিমান সংগ্রহ দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে সামরিক ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এতে করে বাংলাদেশ আঞ্চলিক প্রতিপক্ষদের যেকোনো অনুপ্রবেশ বা উসকানির জবাব আরও শক্তভাবে দিতে পারবে।