০৯:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নগদ টাকা ও সো’না নিয়ে পর’কীয়া প্রেমিকের সঙ্গে উ’ধাও প্রবাসীর স্ত্রী!

স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে টিকটকে পরিচয়ের সূত্র ধরে এক পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তোফাজ্জল হোসেন রাকিব নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর। নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চিরিঙ্গা গ্রামের সন্তান রাকিব। ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে ২০২১ সালে ওমানে যান তিনি।

রাকিবের পরিবারের দাবি, রেহানা আক্তার (২৩) যাওয়ার সময় নগদ প্রায় ৫ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। এ ছাড়া সংসার চলাকালীন সময়ে স্ত্রী প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা অপচয় করেছেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রেহানার পরিবার।

রাকিবের শাশুড়ির বলেন, বিয়ের পর থেকে প্রবাসী স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নানা কারণে রেহানাকে নির্যাতন করতেন। পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তাদের দাবি, রেহানা বর্তমানে চট্টগ্রামে ভাইয়ের বাসায় রয়েছেন।

ভিডিও কলে কথা বলে রেহানা সাংবাদিকদের জানান, ‘স্বামীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি ভাইয়ের বাসায় চলে গেছেন।’ এ ছাড়া রাকিব তাকে একাধিকবার ফোনে তালাক দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাই আর কখনও স্বামীর বাড়িতে ফিরতে চান না।

রাকিবের পরিবার বলছে, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে রেহানা যেন আবার সংসারে ফিরে আসেন, এটাই তাদের প্রত্যাশা।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকল সমস্যার সমাধান করে যেনো দুই পরিবার, মাসুম বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে রেহানা যেনো বাড়িতে ফিরে আসেন। আর কোনো প্রবাসী যেনো এমন হয়রানির শিকার না হন এমনটাই আশা সবার।

ট্যাগ

কতদিন সহবাস না করলে আবার বিয়ে করতে হয়। জেনে নিন

নগদ টাকা ও সো’না নিয়ে পর’কীয়া প্রেমিকের সঙ্গে উ’ধাও প্রবাসীর স্ত্রী!

আপডেট সময়ঃ ০৬:৩২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে টিকটকে পরিচয়ের সূত্র ধরে এক পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তোফাজ্জল হোসেন রাকিব নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর। নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চিরিঙ্গা গ্রামের সন্তান রাকিব। ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে ২০২১ সালে ওমানে যান তিনি।

রাকিবের পরিবারের দাবি, রেহানা আক্তার (২৩) যাওয়ার সময় নগদ প্রায় ৫ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। এ ছাড়া সংসার চলাকালীন সময়ে স্ত্রী প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা অপচয় করেছেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রেহানার পরিবার।

রাকিবের শাশুড়ির বলেন, বিয়ের পর থেকে প্রবাসী স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নানা কারণে রেহানাকে নির্যাতন করতেন। পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তাদের দাবি, রেহানা বর্তমানে চট্টগ্রামে ভাইয়ের বাসায় রয়েছেন।

ভিডিও কলে কথা বলে রেহানা সাংবাদিকদের জানান, ‘স্বামীর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি ভাইয়ের বাসায় চলে গেছেন।’ এ ছাড়া রাকিব তাকে একাধিকবার ফোনে তালাক দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাই আর কখনও স্বামীর বাড়িতে ফিরতে চান না।

রাকিবের পরিবার বলছে, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে রেহানা যেন আবার সংসারে ফিরে আসেন, এটাই তাদের প্রত্যাশা।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকল সমস্যার সমাধান করে যেনো দুই পরিবার, মাসুম বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে রেহানা যেনো বাড়িতে ফিরে আসেন। আর কোনো প্রবাসী যেনো এমন হয়রানির শিকার না হন এমনটাই আশা সবার।