১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ ও কাল বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে উল্কাবৃষ্টি

বাংলাদেশের আকাশ থেকে আজ মঙ্গল ও আগামীকাল বুধবার (১২ ও ১৩ আগস্ট) দেখা যাবে উল্কাবৃষ্টি। পার্সাইড উল্কাবৃষ্টি নামে পরিচিত এই উল্কাবৃষ্টি প্রতি বছর একই সময়ে হয়ে থাকে। এ বছর ১৩ আগস্ট ভোররাতে এই উল্কাবৃষ্টি সবচেয়ে বেশি দেখা যাবে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। বাংলাদেশ ছাড়াও উত্তর গোলার্ধের যে কোনো স্থান থেকে পার্সাইড উল্কা বৃষ্টি দেখা যাবে।

গত বছর এই সময় উল্কা বৃষ্টির সময় দৃশ্যমান চাঁদ ছিল না। তবে এ বছর উল্কা বৃষ্টির সময় চাঁদের আলো থাকবে। এর ফলে উল্কা বৃষ্টি দেখতে কিছুটা অসুবিধা হতে হবে। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, পার্সিয়াস নক্ষত্রমণ্ডলের পার্সি নক্ষত্র থেকে আসবে উল্কাগুলো। চাঁদের আলো থাকা সত্ত্বেও পার্সাইড উল্কা পুরো আকাশে দারুণ এক দৃশ্য তৈরি করবে। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০০টি উল্কা দেখা যাবে। এসব উল্কা ধূমকেতুর ধ্বংসাবশেষ দিয়ে তৈরি বৃহত্তর কণা থেকে তৈরি হয়েছে।

পার্সাইড উল্কা বৃষ্টির উৎস সুইফট-টাটল ধূমকেতু। এই ধূমকেতু যখন সূর্যের কাছাকাছি আসে, তখন এর পৃষ্ঠ থেকে বরফ ও ধূলিকণা মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। পৃথিবী যখন তার কক্ষপথে এ ধূলিকণার স্তরের মধ্য দিয়ে যায়, তখন এসব কণা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এবং বাতাসের সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে জ্বলে ওঠে। এ জ্বলন্ত কণাকেই উল্কা বা শুটিং স্টার বলা হয়।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাকের সাইজ XL বা XXL এর মধ্যে ‘X’—র অর্থ কী? ৯০% মানুষের অজানা

আজ ও কাল বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে উল্কাবৃষ্টি

আপডেট সময়ঃ ০৫:০২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশের আকাশ থেকে আজ মঙ্গল ও আগামীকাল বুধবার (১২ ও ১৩ আগস্ট) দেখা যাবে উল্কাবৃষ্টি। পার্সাইড উল্কাবৃষ্টি নামে পরিচিত এই উল্কাবৃষ্টি প্রতি বছর একই সময়ে হয়ে থাকে। এ বছর ১৩ আগস্ট ভোররাতে এই উল্কাবৃষ্টি সবচেয়ে বেশি দেখা যাবে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। বাংলাদেশ ছাড়াও উত্তর গোলার্ধের যে কোনো স্থান থেকে পার্সাইড উল্কা বৃষ্টি দেখা যাবে।

গত বছর এই সময় উল্কা বৃষ্টির সময় দৃশ্যমান চাঁদ ছিল না। তবে এ বছর উল্কা বৃষ্টির সময় চাঁদের আলো থাকবে। এর ফলে উল্কা বৃষ্টি দেখতে কিছুটা অসুবিধা হতে হবে। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, পার্সিয়াস নক্ষত্রমণ্ডলের পার্সি নক্ষত্র থেকে আসবে উল্কাগুলো। চাঁদের আলো থাকা সত্ত্বেও পার্সাইড উল্কা পুরো আকাশে দারুণ এক দৃশ্য তৈরি করবে। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০০টি উল্কা দেখা যাবে। এসব উল্কা ধূমকেতুর ধ্বংসাবশেষ দিয়ে তৈরি বৃহত্তর কণা থেকে তৈরি হয়েছে।

পার্সাইড উল্কা বৃষ্টির উৎস সুইফট-টাটল ধূমকেতু। এই ধূমকেতু যখন সূর্যের কাছাকাছি আসে, তখন এর পৃষ্ঠ থেকে বরফ ও ধূলিকণা মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। পৃথিবী যখন তার কক্ষপথে এ ধূলিকণার স্তরের মধ্য দিয়ে যায়, তখন এসব কণা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে এবং বাতাসের সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে জ্বলে ওঠে। এ জ্বলন্ত কণাকেই উল্কা বা শুটিং স্টার বলা হয়।