০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মা’দরাসা শিক্ষার্থীকে ব’লাৎকার, শি’ক্ষক গ্রে*প্তার

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ১১ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের ঘটনায় আল ক্বারীম দারুল উলুম আজাদী মাদরাসার শিক্ষক ওয়ালীউল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুটিও একই মাদরাসার শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাতে যমুনা সেতু এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে বুধবার রাতে শিশুটির পিতা বাদি হয়ে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃত ওয়ালীউল্লাহর বাড়ি পাবনায়।

জানা যায়, উপজেলার আল ক্বারীম দারুল উলুম আজাদী মাদরাসার শিক্ষক ওয়ালীউল্লাহ ওই শিশু শিক্ষার্থীকে রাতের বেলায় নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে প্রায়ই যৌন নির্যাতন করতো। কাউকে ঘটনা বললে মারধরের ভয় দেখায়। ভয় ওপেক্ষা শিশুটি এ ঘটনা তার মা-বাবাকে খুলে বলে। পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শিক্ষক ওয়ালীউল্লাহ। বরখাস্ত করা হয় তাকে। সালিশের মাধ্যমে ঘটনা ধামাচাপা দেয়া হয়। আইনের আশ্রয় না নিতে চাপ দেয়া হয় শিশুটির পরিবারকে।

এদিকে ঘটনাটি প্রকাশ পেলে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হয়। ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আব্দুল্লাহ খান শিক্ষার্থীর পরিবারের পাশে থেকে নির্ভয় দিলে বুধবার রাতে শিশুটির পিতা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে বৃহস্পতিবার রাতে ভূঞাপুর থানা পুলিশ শিক্ষক ওয়ালীউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ একে এম রেজাউল করিম বলেন, বুধবার রাতে শিশুটির পিতা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করলে ২৪ ঘণ্টার
মধ্যেই পুলিশ শিক্ষক ওয়ালীউল্লাহকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় প্রযোজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ট্যাগ

এই বাংলা সিনেমায় প;-র্নো সিনেমার মত সরাসরি সে**ক্সের দৃশ্য দেখানো হয়েছে (ভি ডিও সহ)

মা’দরাসা শিক্ষার্থীকে ব’লাৎকার, শি’ক্ষক গ্রে*প্তার

আপডেট সময়ঃ ০৫:৪৯:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ১১ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের ঘটনায় আল ক্বারীম দারুল উলুম আজাদী মাদরাসার শিক্ষক ওয়ালীউল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুটিও একই মাদরাসার শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাতে যমুনা সেতু এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে বুধবার রাতে শিশুটির পিতা বাদি হয়ে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃত ওয়ালীউল্লাহর বাড়ি পাবনায়।

জানা যায়, উপজেলার আল ক্বারীম দারুল উলুম আজাদী মাদরাসার শিক্ষক ওয়ালীউল্লাহ ওই শিশু শিক্ষার্থীকে রাতের বেলায় নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে প্রায়ই যৌন নির্যাতন করতো। কাউকে ঘটনা বললে মারধরের ভয় দেখায়। ভয় ওপেক্ষা শিশুটি এ ঘটনা তার মা-বাবাকে খুলে বলে। পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শিক্ষক ওয়ালীউল্লাহ। বরখাস্ত করা হয় তাকে। সালিশের মাধ্যমে ঘটনা ধামাচাপা দেয়া হয়। আইনের আশ্রয় না নিতে চাপ দেয়া হয় শিশুটির পরিবারকে।

এদিকে ঘটনাটি প্রকাশ পেলে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হয়। ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আব্দুল্লাহ খান শিক্ষার্থীর পরিবারের পাশে থেকে নির্ভয় দিলে বুধবার রাতে শিশুটির পিতা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে বৃহস্পতিবার রাতে ভূঞাপুর থানা পুলিশ শিক্ষক ওয়ালীউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ একে এম রেজাউল করিম বলেন, বুধবার রাতে শিশুটির পিতা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করলে ২৪ ঘণ্টার
মধ্যেই পুলিশ শিক্ষক ওয়ালীউল্লাহকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় প্রযোজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।