Dhaka ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যৌ’ন শক্তির ভান্ডার হাতিসুর গাছ জেনে নিন ব্যবহারের নিয়ম

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:২৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯৭২ Time View

গাছের গোড়ায় অবহেলায় বেড়ে ওঠা এই ছোট্ট গাছের শিকড়ে লুকিয়ে আছে পুষ্টির এক বিশাল ভাণ্ডার।”
১. যৌন সক্ষমতা: এটি শরীরের হরমোনাল ভারসাম্য ঠিক রেখে যৌন শক্তি বা স্ট্যামিনা বাড়াতে সাহায্য করে।

২.শুক্রাণু বৃদ্ধি: হাতিশুঁড় গাছের মূলের রস নিয়মিত সেবনে শুক্রাণুর ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।

৩. দ্রুত বীর্যপাত রোধ: সঠিক নিয়মে মূলের রস খেলে দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা সমাধানে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।

৪. শারীরিক দুর্বলতা: দীর্ঘদিনের শারীরিক ও স্নায়বিক দুর্বলতা কাটিয়ে তুলতে এর মূলার রস টনিক হিসেবে কাজ করে।

৫. বাত-ব্যথা নিরাময়: শিকড় বা পাতা বাটা গরম করে ব্যথার স্থানে মালিশ করলে বাতের ব্যথা দ্রুত কমে।

৬. ফোলা ভাব কমানো: হাড়ের জয়েন্টে পানি জমা বা ফুলে যাওয়া কমাতে এর প্রলেপ বেশ কার্যকরী।

৭. মচকানো ব্যথা: শরীরের কোনো অংশ মচকে গেলে এই গাছের মূলার রস দিয়ে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।

৮. ছত্রাকজনিত ইনফেকশন: দাদ বা চুলকানি সারাতে হাতিশুঁড় পাতার রস বা মূল বাটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

৯. একজিমা সারাতে: দীর্ঘস্থায়ী একজিমা বা খোসপাঁচড়া দূর করতে এর শিকড় বাটা ব্যবহার করা হয়।

১০. ক্ষত নিরাময়: শরীরের কোনো ক্ষত বা ঘা দ্রুত শুকাতে এর রস অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।

১১. ব্রণ দূর করতে: মুখের কালচে দাগ বা ব্রণ সারাতে কচি মূলের রস মুখে লাগানো যায়।

১২. টাইফয়েড ও জ্বর: টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে এই গাছের মূলের রস শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

১৩. বিষাক্ত কামড়ে: বিষাক্ত মাকড়সা বা বিচ্ছু কামড়ালে তাৎক্ষণিক ব্যথা ও বিষ কমাতে এর মূলার প্রলেপ দেওয়া হয়।

১৪. সাইনাসের সমস্যা: যাদের সাইনাসের কারণে তীব্র মাথাব্যথা হয়, তাদের জন্য এর রস অত্যন্ত উপকারী।

১৫. ঠাণ্ডা ও কাশি: পুরনো কফ বের করতে এবং কাশি কমাতে এই গাছের রস মধু দিয়ে খেলে উপকার মেলে।

১৬. দাঁতের মাড়ির রোগ: মাড়ি ফুলে যাওয়া বা রক্ত পড়া বন্ধ করতে এই গাছের পাতা বা মূল সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলকুচি করা হয়।

১৭. হজম শক্তি বৃদ্ধি: পেটের গোলমাল ও হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে হাতিশুঁড় গাছের মূল সাহায্য করে।

১৮. রক্ত পরিষ্কার: এটি প্রাকৃতিক ‘ব্লাড পিউরিফায়ার’ হিসেবে কাজ করে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।

১৯. ফোঁড়া সারাতে: ফোঁড়া পাকানোর জন্য বা দ্রুত ফোলা কমাতে মূল বাটা গরম করে লাগানো হয়।

২০. অ্যালার্জি: হঠাৎ শরীরে এলার্জি বা চাকা চাকা হয়ে ফুলে উঠলে এর রস সেবন ও মালিশ করলে দ্রুত প্রশমিত হয়।বিশেষ সতর্কতা:

হাতিশুঁড় গাছ অত্যন্ত শক্তিশালী ঔষধি গুণসম্পন্ন, তাই এটি অতিরিক্ত সেবন করবেন না। বিশেষ করে যৌন সমস্যার জন্য সেবনের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৫-১০ মিলি এর বেশি রস খাওয়া উচিত নয়। কোনো দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

অজান্তেই নিজের পুরু’ষত্ব ধ্বংস করছেন যেভাবে, সব ছেলেদের জানা উচিত

যৌ’ন শক্তির ভান্ডার হাতিসুর গাছ জেনে নিন ব্যবহারের নিয়ম

Update Time : ১০:২৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

গাছের গোড়ায় অবহেলায় বেড়ে ওঠা এই ছোট্ট গাছের শিকড়ে লুকিয়ে আছে পুষ্টির এক বিশাল ভাণ্ডার।”
১. যৌন সক্ষমতা: এটি শরীরের হরমোনাল ভারসাম্য ঠিক রেখে যৌন শক্তি বা স্ট্যামিনা বাড়াতে সাহায্য করে।

২.শুক্রাণু বৃদ্ধি: হাতিশুঁড় গাছের মূলের রস নিয়মিত সেবনে শুক্রাণুর ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।

৩. দ্রুত বীর্যপাত রোধ: সঠিক নিয়মে মূলের রস খেলে দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা সমাধানে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।

৪. শারীরিক দুর্বলতা: দীর্ঘদিনের শারীরিক ও স্নায়বিক দুর্বলতা কাটিয়ে তুলতে এর মূলার রস টনিক হিসেবে কাজ করে।

৫. বাত-ব্যথা নিরাময়: শিকড় বা পাতা বাটা গরম করে ব্যথার স্থানে মালিশ করলে বাতের ব্যথা দ্রুত কমে।

৬. ফোলা ভাব কমানো: হাড়ের জয়েন্টে পানি জমা বা ফুলে যাওয়া কমাতে এর প্রলেপ বেশ কার্যকরী।

৭. মচকানো ব্যথা: শরীরের কোনো অংশ মচকে গেলে এই গাছের মূলার রস দিয়ে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।

৮. ছত্রাকজনিত ইনফেকশন: দাদ বা চুলকানি সারাতে হাতিশুঁড় পাতার রস বা মূল বাটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

৯. একজিমা সারাতে: দীর্ঘস্থায়ী একজিমা বা খোসপাঁচড়া দূর করতে এর শিকড় বাটা ব্যবহার করা হয়।

১০. ক্ষত নিরাময়: শরীরের কোনো ক্ষত বা ঘা দ্রুত শুকাতে এর রস অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে।

১১. ব্রণ দূর করতে: মুখের কালচে দাগ বা ব্রণ সারাতে কচি মূলের রস মুখে লাগানো যায়।

১২. টাইফয়েড ও জ্বর: টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে এই গাছের মূলের রস শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

১৩. বিষাক্ত কামড়ে: বিষাক্ত মাকড়সা বা বিচ্ছু কামড়ালে তাৎক্ষণিক ব্যথা ও বিষ কমাতে এর মূলার প্রলেপ দেওয়া হয়।

১৪. সাইনাসের সমস্যা: যাদের সাইনাসের কারণে তীব্র মাথাব্যথা হয়, তাদের জন্য এর রস অত্যন্ত উপকারী।

১৫. ঠাণ্ডা ও কাশি: পুরনো কফ বের করতে এবং কাশি কমাতে এই গাছের রস মধু দিয়ে খেলে উপকার মেলে।

১৬. দাঁতের মাড়ির রোগ: মাড়ি ফুলে যাওয়া বা রক্ত পড়া বন্ধ করতে এই গাছের পাতা বা মূল সিদ্ধ পানি দিয়ে কুলকুচি করা হয়।

১৭. হজম শক্তি বৃদ্ধি: পেটের গোলমাল ও হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে হাতিশুঁড় গাছের মূল সাহায্য করে।

১৮. রক্ত পরিষ্কার: এটি প্রাকৃতিক ‘ব্লাড পিউরিফায়ার’ হিসেবে কাজ করে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।

১৯. ফোঁড়া সারাতে: ফোঁড়া পাকানোর জন্য বা দ্রুত ফোলা কমাতে মূল বাটা গরম করে লাগানো হয়।

২০. অ্যালার্জি: হঠাৎ শরীরে এলার্জি বা চাকা চাকা হয়ে ফুলে উঠলে এর রস সেবন ও মালিশ করলে দ্রুত প্রশমিত হয়।বিশেষ সতর্কতা:

হাতিশুঁড় গাছ অত্যন্ত শক্তিশালী ঔষধি গুণসম্পন্ন, তাই এটি অতিরিক্ত সেবন করবেন না। বিশেষ করে যৌন সমস্যার জন্য সেবনের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৫-১০ মিলি এর বেশি রস খাওয়া উচিত নয়। কোনো দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।